পরবর্তী সংকষ্টী চতুর্থী: 28 নভেম্বর 2026, শনিবার (23 দিন পরে)
2026 সালে সংকষ্টী চতুর্থী মোট 13 বার পড়ছে।
📅 সংকষ্টী চতুর্থী 2026-এর সব তারিখ
| তারিখ | বার | তিথি |
|---|---|---|
| 7 জানুয়ারি 2026 | বুধবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 4 |
| 5 ফেব্রুয়ারি 2026 | বৃহস্পতিবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 4 |
| 7 মার্চ 2026 | শনিবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 4 |
| 6 এপ্রিল 2026 | সোমবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 4 |
| 6 মে 2026 | বুধবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 4 |
| 4 জুন 2026 | বৃহস্পতিবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 4 |
| 4 জুলাই 2026 | শনিবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 4 |
| 2 আগস্ট 2026 | রবিবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 4 |
| 1 সেপ্টেম্বর 2026 | মঙ্গলবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 4 |
| 30 সেপ্টেম্বর 2026 | বুধবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 4 |
| 29 অক্টোবর 2026 | বৃহস্পতিবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 4 |
| 28 নভেম্বর 2026 | শনিবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 4 |
| 27 ডিসেম্বর 2026 | রবিবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 4 |
🔍 সংকষ্টী চতুর্থী কী এবং কেন পালন করা হয়
প্রতি মাসে কৃষ্ণপক্ষের চতুর্থী সংকষ্টী চতুর্থী নামে পরিচিত — ‘সংকষ্ট’ মানে বিপদ বা অসুবিধা আর ‘হর’ মানে দূর করা। এটি গণেশের ব্রত এবং চন্দ্রোদয় দেখে ভাঙা হয়। মঙ্গলবারে পড়া সংকষ্টীকে অঙ্গারকী চতুর্থী বলে, যা সবচেয়ে ফলদায়ী ধরা হয়। মাঘ মাসের সংকষ্টী সকট চৌথ বা তিলকুটা চৌথ নামে মায়েরা সন্তানের দীর্ঘ জীবনের জন্য পালন করেন। বাংলায় এই ব্রত তুলনায় কম প্রচলিত, তবে গণেশপূজায় বিশ্বাসী অনেক পরিবার, বিশেষত ব্যবসায়ীরা, এটি করেন।
🙏 সংকষ্টী চতুর্থী কীভাবে করবেন
সকালে স্নান করে গণেশের ধ্যান করুন ও ব্রতের সংকল্প নিন। দিনে নিরাহার বা ফলাহার থাকুন। সন্ধ্যায় গণেশকে দূর্বা, মোদক বা নাড়ু এবং লাল ফুল দিন; ‘ওঁ গং গণপতয়ে নমঃ’ জপ করুন ও সংকষ্টীর কথা শুনুন। চাঁদ উঠলে জল দিয়ে অর্ঘ্য দিয়ে ব্রত ভাঙুন। চন্দ্রোদয় সূর্যাস্তের কয়েক ঘণ্টা পরে হয় এবং শহরভেদে বদলায়, তাই সময়টি আগে থেকে দেখে নিন।
👤 কাদের জন্য বিশেষ উপযোগী
বাধা-বিপত্তি, আটকে থাকা পরীক্ষা বা চাকরি এবং সন্তানের চিন্তায় থাকা পরিবার এটি করেন। যাঁদের কোষ্ঠীতে রাহু বা কেতুর দশা চলছে, তাঁরাও গণেশপূজাকে ভরসা মনে করেন।
❓ সংকষ্টী চতুর্থী — সাধারণ প্রশ্নোত্তর
সংকষ্টী চতুর্থীর ব্রত কখন ভাঙব?
চাঁদ দেখে অর্ঘ্য দেওয়ার পর। চন্দ্রোদয়ের সময় শহর ও ঋতুভেদে বদলায়, তাই সেই দিনের সময় নিজের শহরের পঞ্জিকা বা চন্দ্রোদয়ের ক্যালেন্ডারে দেখে নিন।
অঙ্গারকী চতুর্থী কী?
সংকষ্টী চতুর্থী মঙ্গলবারে পড়লে তাকে অঙ্গারকী চতুর্থী বলে। ওপরের তালিকায় বার দেখে চিনে নিন; ঐতিহ্যে এটি বছরের সবচেয়ে শুভ সংকষ্টী।
সংকষ্টী আর বিনায়ক চতুর্থীর তফাত কী?
সংকষ্টী কৃষ্ণপক্ষের চতুর্থী এবং চন্দ্রোদয়ে ভাঙা হয়; বিনায়ক চতুর্থী শুক্লপক্ষের চতুর্থী, যেখানে দুপুরের পূজার গুরুত্ব বেশি। দুটিই গণেশের।
সংকষ্টী চতুর্থীতে কী খাব?
ফল, দুধ, চিনেবাদাম, সাবুদানা বা সিঙ্গাড়ার আটার খাবার। অনেক বাড়িতে চাঁদকে অর্ঘ্য দেওয়ার পরই অন্ন নেওয়া হয়।
📿 অন্যান্য ব্রত
ℹ️ গণনা নিরয়ন (লাহিড়ি) পদ্ধতিতে, ভারতীয় প্রমাণ সময়ে। যে দিনের সূর্যোদয়ের (সকাল প্রায় ৬টা) পর তিথি শেষ হয়, সেই দিনটি দেখানো হয়েছে। শহরভেদে কিছু তিথি একদিন আগে-পরে হতে পারে, আর প্রদোষ ও সংকষ্টীতে সন্ধ্যা বা চন্দ্রোদয়ের সময়ের তিথিও দেখা হয় — তাই ব্রতের আগে নিজের এলাকার পঞ্জিকা বা মন্দিরের ক্যালেন্ডারের সঙ্গে একবার মিলিয়ে নিন।
🔮 আপনার কোষ্ঠীতে কোন ব্রত সবচেয়ে সহায়ক?
জন্মকোষ্ঠী থেকে আপনার রাশি ও দশা দেখে বলা যায় কোন ব্রত আর কোন দেবতা আপনার পক্ষে সবচেয়ে ভরসার।