পরবর্তী একাদশী: 5 নভেম্বর 2026, বৃহস্পতিবার (আজ)
2026 সালে একাদশী মোট 24 বার পড়ছে।
📅 একাদশী 2026-এর সব তারিখ
| তারিখ | বার | তিথি |
|---|---|---|
| 14 জানুয়ারি 2026 | বুধবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 11 |
| 29 জানুয়ারি 2026 | বৃহস্পতিবার | শুক্লপক্ষ — তিথি 11 |
| 13 ফেব্রুয়ারি 2026 | শুক্রবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 11 |
| 27 ফেব্রুয়ারি 2026 | শুক্রবার | শুক্লপক্ষ — তিথি 11 |
| 15 মার্চ 2026 | রবিবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 11 |
| 29 মার্চ 2026 | রবিবার | শুক্লপক্ষ — তিথি 11 |
| 13 এপ্রিল 2026 | সোমবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 11 |
| 27 এপ্রিল 2026 | সোমবার | শুক্লপক্ষ — তিথি 11 |
| 13 মে 2026 | বুধবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 11 |
| 27 মে 2026 | বুধবার | শুক্লপক্ষ — তিথি 11 |
| 11 জুন 2026 | বৃহস্পতিবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 11 |
| 25 জুন 2026 | বৃহস্পতিবার | শুক্লপক্ষ — তিথি 11 |
| 10 জুলাই 2026 | শুক্রবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 11 |
| 25 জুলাই 2026 | শনিবার | শুক্লপক্ষ — তিথি 11 |
| 9 আগস্ট 2026 | রবিবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 11 |
| 23 আগস্ট 2026 | রবিবার | শুক্লপক্ষ — তিথি 11 |
| 7 সেপ্টেম্বর 2026 | সোমবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 11 |
| 22 সেপ্টেম্বর 2026 | মঙ্গলবার | শুক্লপক্ষ — তিথি 11 |
| 6 অক্টোবর 2026 | মঙ্গলবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 11 |
| 22 অক্টোবর 2026 | বৃহস্পতিবার | শুক্লপক্ষ — তিথি 11 |
| 5 নভেম্বর 2026 | বৃহস্পতিবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 11 |
| 21 নভেম্বর 2026 | শনিবার | শুক্লপক্ষ — তিথি 11 |
| 4 ডিসেম্বর 2026 | শুক্রবার | কৃষ্ণপক্ষ — তিথি 11 |
| 20 ডিসেম্বর 2026 | রবিবার | শুক্লপক্ষ — তিথি 11 |
🔍 একাদশী কী এবং কেন পালন করা হয়
একাদশী মাসে দুবার আসে — শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষে — অর্থাৎ বছরে প্রায় ২৪ বার (অধিক মাস থাকলে ২৬)। এটি বিষ্ণুর দিন। নিয়ম সহজ: এই দিনে অন্ন, বিশেষ করে ভাত, বর্জন করা হয়। প্রতিটি একাদশীর আলাদা নাম আছে — নির্জলা (জ্যৈষ্ঠ শুক্ল), শয়ন (আষাঢ় শুক্ল), মোক্ষদা (অগ্রহায়ণ শুক্ল), উত্থান বা প্রবোধিনী (কার্তিক শুক্ল) ইত্যাদি। শয়ন একাদশী থেকে চাতুর্মাস্য শুরু হয়, আর উত্থান একাদশীতে বিবাহের মতো শুভ কাজ আবার শুরু হয়। বাংলার বৈষ্ণব পরিবারে একাদশী নিয়ম করে পালনের পরম্পরা আছে।
🙏 একাদশী কীভাবে করবেন
দশমীর রাতে হালকা আহার করুন। একাদশীর ভোরে স্নান করে বিষ্ণুপূজা করুন, তুলসীপাতা অর্পণ করুন এবং ‘ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়’ জপ করুন। সারা দিন ফল, দুধ বা জল নিয়ে থাকুন; ভাত ও দানাশস্য খাবেন না। দ্বাদশীতে সূর্যোদয়ের পর শুভ সময়ে পারণ (ব্রত ভাঙা) করুন। শরীর দুর্বল হলে, গর্ভাবস্থায় বা নিয়মিত ওষুধ চললে কঠোর নির্জলা উপবাস করবেন না — ফল ও দুধ নিয়েও ব্রতের মনোভাব পূর্ণ হয়।
👤 কাদের জন্য বিশেষ উপযোগী
বৈষ্ণব পরম্পরার অনুসারীরা এটি নিয়ম করে পালন করেন। যাঁদের কোষ্ঠীতে বৃহস্পতি দুর্বল বা যাঁরা বৃহস্পতির দশা-অন্তর্দশায় আছেন, তাঁরাও একাদশীর পূজায় মনের জোর পান। গৃহস্থের পক্ষে মাসে দুদিনের সংযম নিজেই একটি ভালো অভ্যাস।
❓ একাদশী — সাধারণ প্রশ্নোত্তর
একাদশীতে ভাত খায় না কেন?
বিশ্বাস আছে এই দিনে অন্নে দোষের বাস; বাস্তবে এটি হালকা ও সংযত থাকার অভ্যাসের দিন। ফল, সিঙ্গাড়ার আটা, সাবুদানা, আলু ও মাখানা সাধারণত খাওয়া হয়। অনেক বাঙালি পরিবারে লুচি-আলুর দম বা ফল-দুধে একাদশী কাটে।
একাদশীর পারণ কখন করব?
পারণ পরের দিন অর্থাৎ দ্বাদশীতে সূর্যোদয়ের পর করা হয়, দ্বাদশী তিথি শেষ হওয়ার আগে। পঞ্জিকায় প্রতিটি একাদশীর পারণের সময় আলাদা দেওয়া থাকে — নিজের শহরের সময়টি দেখে নিন।
স্মার্ত ও বৈষ্ণব একাদশীর তফাত কী?
অনেক সময় একাদশী তিথি দুই দিনে ছড়িয়ে থাকে। গৃহস্থ (স্মার্ত) প্রথম দিনে এবং বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের অনুসারীরা দ্বিতীয় দিনে ব্রত করেন। আমাদের তারিখ প্রচলিত গণনার; নিজের গুরু বা মন্দিরের রীতি জেনে নিন।
বছরে কয়টি একাদশী হয়?
সাধারণত ২৪টি — প্রতি পক্ষে একটি। যে বছর অধিক মাস পড়ে, সে বছর আরও দুটি যোগ হয়ে ২৬টি হয়।
📿 অন্যান্য ব্রত
ℹ️ গণনা নিরয়ন (লাহিড়ি) পদ্ধতিতে, ভারতীয় প্রমাণ সময়ে। যে দিনের সূর্যোদয়ের (সকাল প্রায় ৬টা) পর তিথি শেষ হয়, সেই দিনটি দেখানো হয়েছে। শহরভেদে কিছু তিথি একদিন আগে-পরে হতে পারে, আর প্রদোষ ও সংকষ্টীতে সন্ধ্যা বা চন্দ্রোদয়ের সময়ের তিথিও দেখা হয় — তাই ব্রতের আগে নিজের এলাকার পঞ্জিকা বা মন্দিরের ক্যালেন্ডারের সঙ্গে একবার মিলিয়ে নিন।
🔮 আপনার কোষ্ঠীতে কোন ব্রত সবচেয়ে সহায়ক?
জন্মকোষ্ঠী থেকে আপনার রাশি ও দশা দেখে বলা যায় কোন ব্রত আর কোন দেবতা আপনার পক্ষে সবচেয়ে ভরসার।