☸ জন্ম বিবরণ | Birth Details
📖 এই ক্যালকুলেটর ঠিক কী যাচাই করে?
মঙ্গল দোষ: লগ্ন থেকে মঙ্গল ১, ২, ৪, ৭, ৮, ১২ ভাবে আছেন কি না — এটিই প্রথম যাচাই। কিন্তু এটুকুই যথেষ্ট নয় — গুরুত্বপূর্ণ ছাড়ের নিয়মগুলিও এখানে যুক্ত করা হয়েছে: মঙ্গল স্বক্ষেত্রে (মেষ, বৃশ্চিক) বা উচ্চে (মকর) থাকলে দোষ প্রশমিত হয়। তাই ফলাফলে "নেই" দেখালে তা মঙ্গল দোষভাবে না থাকার কারণেও হতে পারে, আবার ছাড়ের নিয়ম প্রযোজ্য হওয়ার কারণেও। বাংলার অনেক জ্যোতিষ ধারায় মঙ্গল দোষ চন্দ্র ও শুক্র থেকেও দেখার রীতি আছে — এই ক্যালকুলেটর লগ্নভিত্তিক, তা মনে রাখবেন।
সর্প দোষ: চন্দ্র বা মঙ্গল রাহু-কেতুর কোনও একটির সঙ্গে একই রাশিতে যুক্ত আছেন কি না — এই যোগ যাচাই। বাংলায় মনসা পুজো, নাগপঞ্চমী ও তারকেশ্বরে জল ঢালার রীতি এই দোষের পরিহার হিসেবে পরম্পরাগতভাবে নির্দেশিত হয়।
কালসর্প দোষ: সূর্য থেকে শনি পর্যন্ত সাতটি গ্রহই রাহু-কেতু অক্ষের একই দিকে আটকে আছেন কি না তা দেখা হয়। এটি তুলনামূলকভাবে বিরল যোগ। একটি কথা সৎভাবে বলা দরকার — আজ প্রচলিত রূপে এই যোগ শাস্ত্রীয় গ্রন্থে পাওয়া যায় না; বিশ শতকে জনপ্রিয় হওয়া একটি ব্যাখ্যা এটি। তাছাড়া কোনও গ্রহ অক্ষের কিনারায় এক-দুই ডিগ্রি দূরে থাকলে যোগের তীব্রতা অনেকটাই কমে যায়।
ফলাফল কীভাবে পড়বেন এবং সীমাবদ্ধতা: এটি কেবল প্রাথমিক যাচাই। কোনও দোষ "আছে" দেখানো মানে শুধু একটি গ্রহস্থিতি, ভাগ্য নয়। দোষের প্রকৃত ফল তার অধিপতির বল, দৃষ্টি, চলমান দশা ও নবাংশে অবস্থান — সব মিলিয়ে দেখলে তবেই বলা যায়। বিবাহের মতো বড় সিদ্ধান্তে দুটি কোষ্ঠীই অভিজ্ঞ জ্যোতিষীকে দেখিয়ে সম্পূর্ণ বিচার করানোই সঠিক পথ — পাত্র-পাত্রী দুজনেরই মঙ্গল দোষ থাকলে তা পরস্পর প্রশমিত হওয়ার নিয়মের মতো সূক্ষ্ম বিষয় সরাসরি বিচারেই ধরা পড়ে।
পরের ধাপ হিসেবে বিনামূল্যে সম্পূর্ণ কোষ্ঠী নিন, অথবা বিবাহের কথা ভাবলে গুণ মিলন যাচাই করুন। লগ্ন বা নক্ষত্র জানা না থাকলে লগ্ন ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন।